স্টাফ রিপোর্টার :
পাবনার ঈশ্বরদী পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের শৈলপাড়া এলাকার নফেল মালিথার ছেলে শিপন মালিথা প্রশাসনের চোখে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিয়মিত তৈরী করে আসছে সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ পলিথন৷ যার নাম দিয়েছে শিপন সুপার ১ নং কুয়ালিটি। দীর্ঘদিন যাবত এই অবৈধ পলিথন তৈরির ব্যবসার সাথে জড়িত বলে যানা গেছে ।
স্থানীয়রা জানায়, মাঝে মাঝে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করা হলেও থেমে নেই শিপনের এই অবৈধ কার্যক্রম। গতবছর মে মাসে পাবনা ডিবির অভিযানে সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ পলিথিন তৈরী করার দায়ে জেল জরিমানা ও মালামাল যব্দ করা হলেও জেল থেকে বেরিয়ে এসে আবার শুরু করে দেয় পলিথন তৈরী।
সোহেল শাহ নামের একজন স্থানীয় ব্যাক্তি জানায়, শিপন এলাকার প্রভাবশালী ব্যাক্তি৷ তার বিরুদ্ধে কথা বলার মতো মানুষ খুব কম। তার বিরুদ্ধে কথা বলে মারধরের শিকার হতে হবে জন্য কেও তার বিরুদ্ধে কথা বলেনা৷
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তি সময় সংবাদকে জানায়, শিপনের কারখানা সম্পুর্ন অবৈধ। কারণ সরকার পলিথন তৈরী নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। তার পরেই কোটি কোটি টাকার মেশিন ব্যাবহার করে কিভাবে এই পলিথন ফ্যাক্টরী চালাচ্ছে নফেল মালিথার ছেলে শিপন মালিথা । মাঝে মাঝে প্রশাসন এসে ঘুড়ে চলে যায়৷ বিভিন্ন সময় সাংবাদিকরা এসে ঘুড়ে চলে যায়। কিন্ত এসকল অবৈধ কোম্পানী কেও বন্ধ করতে পারে না। কারণ এরা উপর লেভেলের সবাইকে ম্যানেজ করেই এসকল কর্মকাণ্ডের লিপ্ত।
এসকল বিষয় পলিথন ফ্যাক্টরীর মালিক শিপন মালিথার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানায়, আমার পলিথন ফ্যাক্টরীর অনুমতি আছে । আমরা বড় বড় পলিথন তৈরী করি। পলিথন তৈরীর অনুমোদন কোথা থেকে নেওয়া এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিপন মালিথা তার উত্তর দিতে পারেনি৷
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পি.এম. ইমরুল কায়েস এর সাথে কথা হলে তিনি জানায়, শিপনের পলিথন ফ্যাক্টরীর ব্যাপার টা আপনার থেকে শুনলাম। সে যদি এসকল কার্যক্রমে যুক্ত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক – মোঃ মাহবুবুল আলম